ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিকতায় আমার পথচলা:এক সাহসী পদক্ষেপ থেকে সম্পাদক হওয়ার গল্প প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কত টাকা, কত দিন পাবে পরীক্ষার মাধ্যমে সাংবাদিক নিবন্ধন: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ সাংবাদিক নিবন্ধনের পথে সরকা: প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেশের ৬ গুণী লেখক পাচ্ছেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার বিজিবিএ সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসাইন আর নেই কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ২০ পদে ২৫১ জনের বড় নিয়োগ চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী সালাম মুর্শেদীকে গুলশানের সেই বাড়ি ছাড়তে হবে, সরকারী সম্পত্তি ঘোষণা আর্জেন্টিনাকে হারাতে ‘অভিশপ্ত’মূর্তির গায়ে জার্সি পরাল ব্রাজিল সমর্থকরা

গাজীপুরে শুটিং স্পটে উঠতি মডেলকে ধর্ষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮ ৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিনেমা ও নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেয়ার কথা বলে ঢাকা থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নীলেরপাড়া এলাকার শুটিং স্পটে নিয়ে এক উঠতি মডেলকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে ওই কিশোরী মডেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় ধর্ষক ও তার দুই সহযোগীকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাশপুর (বাসস্ট্যান্ডের উত্তরে) এলাকার বাসিন্দা মো. তোরাব আলীর ছেলে মো. মিজানুর রহমান শামীম (৫৩)। তার অন্য সহযোগীরা হলেন- আতিক (৩০) ও মো. মামুন (২৬)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানার বিলচতরা এলাকায়। বর্তমানে তিনি সাভার থানার ফুলবাড়ি শোভাপুর এলাকায় বোনের বাসায় থেকে মডেলিংয়ের কাজ করে।

অভিযুক্ত শামীম সিনেমা ও নাটক নির্মাণের কাজ করে। সম্প্রতি শামীম ওই মডেলকে নির্দিষ্ট সম্মানিতে তার নাটক ও সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে ওই মডেল ঢাকা থেকে গত ৮ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে গাজীপুরের নীলেরপাড়ায় পরিচালকের ভাড়াকৃত শুটিং স্পটে যায়।

সেখানে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয় শুরু করে এ উঠতি মডেল। গত ১০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে ওই মডেলের কক্ষে প্রবেশ করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে শামীম।

এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন ঘরের বাইরে দরজায় পাহারা দিয়ে ধর্ষণে সহযোগিতা করে। ঘটনাটি ফাঁস করলে মডেলকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে শামীম তার সিনেমায় কাজ করতে বাধ্য করে।

একইভাবে শামীম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল শামীম মডেলকে ধর্ষণ করে। পরে ওই মডেল কৌশলে ওই স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনার পর কিশোরী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে। এ জন্য মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করে। তবে শামীম কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা সিনেমা বানাচ্ছে তা উল্লেখ করেনি এই উঠতি মডেল।

জয়দেবপুর থানা পুলিশের ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আজ শনিবার (২৮ এপ্রিল) ওই কিশোরী মডেলকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে শুটিং স্পটে উঠতি মডেলকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

সিনেমা ও নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেয়ার কথা বলে ঢাকা থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নীলেরপাড়া এলাকার শুটিং স্পটে নিয়ে এক উঠতি মডেলকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে ওই কিশোরী মডেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় ধর্ষক ও তার দুই সহযোগীকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাশপুর (বাসস্ট্যান্ডের উত্তরে) এলাকার বাসিন্দা মো. তোরাব আলীর ছেলে মো. মিজানুর রহমান শামীম (৫৩)। তার অন্য সহযোগীরা হলেন- আতিক (৩০) ও মো. মামুন (২৬)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানার বিলচতরা এলাকায়। বর্তমানে তিনি সাভার থানার ফুলবাড়ি শোভাপুর এলাকায় বোনের বাসায় থেকে মডেলিংয়ের কাজ করে।

অভিযুক্ত শামীম সিনেমা ও নাটক নির্মাণের কাজ করে। সম্প্রতি শামীম ওই মডেলকে নির্দিষ্ট সম্মানিতে তার নাটক ও সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে ওই মডেল ঢাকা থেকে গত ৮ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে গাজীপুরের নীলেরপাড়ায় পরিচালকের ভাড়াকৃত শুটিং স্পটে যায়।

সেখানে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয় শুরু করে এ উঠতি মডেল। গত ১০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে ওই মডেলের কক্ষে প্রবেশ করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে শামীম।

এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন ঘরের বাইরে দরজায় পাহারা দিয়ে ধর্ষণে সহযোগিতা করে। ঘটনাটি ফাঁস করলে মডেলকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে শামীম তার সিনেমায় কাজ করতে বাধ্য করে।

একইভাবে শামীম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল শামীম মডেলকে ধর্ষণ করে। পরে ওই মডেল কৌশলে ওই স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনার পর কিশোরী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে। এ জন্য মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করে। তবে শামীম কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা সিনেমা বানাচ্ছে তা উল্লেখ করেনি এই উঠতি মডেল।

জয়দেবপুর থানা পুলিশের ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আজ শনিবার (২৮ এপ্রিল) ওই কিশোরী মডেলকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।